এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডের গত সপ্তাহের তিন কার্যদিবসে মোট ৭০ কোটি ৮৬ লাখ ৬০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। সে হিসাবে দৈনিক গড় লেনদেন হয়েছে ২৩ কোটি ৬২ লাখ ২০ হাজার টাকা। আলোচ্য সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মোট লেনদেনে কোম্পানিটির অবদান ছিল ৩ দশমিক ৭০ শতাংশ। ডিএসইর সাপ্তাহিক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৫৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৯৬ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪২ টাকা ৮৫ পয়সায় (পুনর্মূল্যায়িত)।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৮২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৫৪ টাকা ৮ পয়সায় (পুনর্মূল্যায়িত)।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৮২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ১৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৫২ টাকা ৫৮ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ১৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৬৪ টাকা ৪৮ পয়সায়।
২০২৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১২২ কোটি ৩৯ লাখ ৩০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৪৯৬ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১২ কোটি ২৩ লাখ ৯৩ হাজার ৪৫৫। এর ৪০ দশমিক ৭১ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৮ দশমিক ২২ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৪০ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
২০২৪ সালের ৪ থেকে ৮ ফেব্রুয়ারি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শেয়ার ইস্যুর জন্য এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের আইপিও সাবস্ক্রিপশন সম্পন্ন হয়েছে। এর আগে ২০২২ সালের ১০ থেকে ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত কোম্পানিটির শেয়ারের কাট-অফ প্রাইস বা প্রান্তসীমা মূল্য নির্ধারণে বিডিং অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিডিংয়ে কোম্পানিটির শেয়ারের প্রান্তসীমা মূল্য ৫০ টাকা নির্ধারণ করেন যোগ্য বিনিয়োগকারীরা (ইআই)।